• সিলেট, রাত ১:০১, ২৬শে মে, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ

প্রাথমিক বিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীদের অগ্রগতিতে অভিভাবকদের ভূমিকা

admin
প্রকাশিত মে ২৫, ২০২৬
প্রাথমিক বিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীদের অগ্রগতিতে অভিভাবকদের ভূমিকা

প্রাথমিক বিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীদের অগ্রগতিতে অভিভাবকদের ভূমিকা

মোঃ নজরুল ইসলাম, বড়লেখা, মৌলভীবাজার।

প্রাথমিক শিক্ষা একজন শিশুর জীবনের ভিত্তি গড়ে তোলে। এই স্তরে শিক্ষার্থীদের মানসিক, নৈতিক ও বুদ্ধিবৃত্তিক বিকাশে অভিভাবকদের ভূমিকা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। সচেতন অভিভাবকের সন্তান যেমন লেখাপড়ায় ভালো ফলাফল করে, তেমনি উদাসীন অভিভাবকের সন্তান বিভিন্ন ক্ষেত্রে পিছিয়ে পড়ে বলে জানিয়েছেন শিক্ষাবিদরা।
শিক্ষকদের মতে, একজন শিশুর প্রথম শিক্ষক তার মা-বাবা। বিদ্যালয়ে শিক্ষকরা যতই আন্তরিকভাবে পাঠদান করুন না কেন, অভিভাবকদের সহযোগিতা ছাড়া শিশুর পূর্ণ বিকাশ সম্ভব নয়।
অভিভাবকদের দায়িত্ব সম্পর্কে বলা হয়, সন্তান নিয়মিত বিদ্যালয়ে যাচ্ছে কিনা, বাড়ির কাজ সম্পন্ন করছে কিনা এবং বিদ্যালয়ে শেখানো বিষয়গুলো অনুশীলন করছে কিনা—এসব বিষয়ে খেয়াল রাখা জরুরি। পাশাপাশি সন্তানদের জন্য বাসায় পড়াশোনার উপযুক্ত পরিবেশ নিশ্চিত করা এবং তাদের মানসিকভাবে উৎসাহ দেওয়া প্রয়োজন।
বিশেষজ্ঞরা আরও বলেন, সন্তানদের প্রতি অভিভাবকদের অবহেলা তাদের পড়াশোনায় নেতিবাচক প্রভাব ফেলে। অবাধে মোবাইল ফোন ব্যবহার কিংবা পড়াশোনার সময় টেলিভিশনে অতিরিক্ত আসক্তি শিশুদের মনোযোগ নষ্ট করে দেয়। এতে তারা লেখাপড়ায় অনিয়মিত হয়ে পড়ে এবং কখনও কখনও খারাপ সঙ্গেও জড়িয়ে যেতে পারে।
বর্তমানে আগের তুলনায় অভিভাবকদের সচেতনতা বৃদ্ধি পেয়েছে। অনেক অভিভাবক নিয়মিত বিদ্যালয়ে গিয়ে শিক্ষকদের সঙ্গে যোগাযোগ রাখছেন। তবে এখনও কিছু অভিভাবকের মধ্যে উদাসীনতা দেখা যায় বলে সংশ্লিষ্টরা জানান।
একজন আদর্শ অভিভাবকের গুণাবলি সম্পর্কে বলা হয়, ধৈর্য, দায়িত্ববোধ এবং সন্তানের প্রতি আন্তরিক ভালোবাসা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। পাশাপাশি সন্তানকে শুধু প্রাতিষ্ঠানিক শিক্ষা নয়, নৈতিক শিক্ষাতেও গড়ে তুলতে হবে।
এ বিষয়ে Komor Jahan Chowdhury বলেন, “বিদ্যালয় ও পরিবারের যৌথ প্রচেষ্টাই একটি শিশুকে সুশিক্ষিত ও আদর্শ মানুষ হিসেবে গড়ে তুলতে পারে।”
তিনি Chatal Government Primary School-এর সহকারী শিক্ষক হিসেবে দায়িত্ব পালন