• সিলেট, সকাল ১১:১৮, ১লা ফেব্রুয়ারি, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ

ধানের শীষ নির্বাচিত হলে গণতন্ত্রের যাত্রা শুরু হবে : তারেক রহমান

admin
প্রকাশিত জানুয়ারি ২২, ২০২৬
ধানের শীষ নির্বাচিত হলে গণতন্ত্রের যাত্রা শুরু হবে : তারেক রহমান

আসন্ন জাতীয় নির্বাচনে ধানের শীষ নির্বাচিত হলে স্বৈরাচার মুক্ত দেশে গণতন্ত্রের যাত্রা শুরু হবে বলে জানিয়েছেন বিএনপি চেয়ারম্যান তারেক রহমান।

বৃহস্পতিবার (২০ জানুয়ারি) দুপুর সিলেটের আলীয়া মাদরাসা মাঠে আয়োজিত এক জনসভায় এ কথা বলেন তিনি।

তারেক রহমান বলেন, বিগত ১৬ বছরে উন্নয়নের নাম করে দেশের জনগণের সম্পদ লুটপাট করে বিদেশে পাচার করে দেওয়া হয়েছে।
তিনি বলেন, যারা পালিয়ে গিয়েছে, যারা বাক-স্বাধীনতা, ভোটের অধিকার কেড়ে নেয়েছিল, তারাই ইলিয়াস আলীর মতো শত হাজার মানুষকে হত্যা করেছে। গুম খুনের মামলা দিয়ে জর্জরিত করা হয়েছে।

বিএনপির চেয়ারম্যান বলেন, ষড়যন্ত্রকারীরা এখনো সক্রিয়। দেশে-বিদেশে বসে যারা ষড়যন্ত্র করছেন, তাদের থেকে সচেতন থাকতে হবে। দেশের মানুষ আগেও ঐক্যবদ্ধ হয়ে ষড়যন্ত্র প্রতিহত করেছে। আগামীতেও জনগণ ষড়যন্ত্র প্রতিহত করবে।

লাখ লাখ মানুষের এই জমায়েতের জন্য হাজারো মানুষ ২০২৪ সালে জীবন দিয়েছে উল্লেখ করে তিনি বলেন, একাত্তরের স্বাধীনতাকে রক্ষা করেছে ২০২৪ সালের গণতন্ত্রকামীরা। ২০২৪ সালের ৫ আগস্ট স্বাধীনতাকে রক্ষা করেছে।

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে ধানের শীষকে বিজয়ী করার আহ্বান জানিয়ে তারেক রহমান বলেন, টেক ব্যাক বাংলাদেশের অর্ধেক পূরণ করেছি, স্বৈরাচার মুক্ত কিরেছি। গণতন্ত্রের পথে যাত্রা শুরু হবে ধানের শীষকে বিজয়ী করার মধ্য দিয়ে।

তিনি বলেন, নারীদের বিনামূল্যে শিক্ষার ব্যবস্থা করেছিল বিএনপি। আমরা ফ্যামিলি কার্ডের মাধ্যমে মা-বোনদেরকে অর্থনৈতিকভাবে স্বাবলম্বী করতে চাই। বৃহস্পতিবার (২২ জানুয়ারি দুপুর সাড়ে ১২টার দিকে দিকে তিনি সভামঞ্চে উঠেন।

আসন্ন জাতীয় সংসদ নির্বাচনে বিএনপির ধানের শীষ প্রতীক জয়ী হলে দেশে গণতন্ত্রের যাত্রা শুরু হবে জানিয়ে তারেক রহমান বলেন, ১২ ফেব্রুয়ারি ধানের শীষ নির্বাচিত হলে স্বৈরাচারমুক্ত দেশে গণতন্ত্রের যাত্রা শুরু হবে। ধানের শীষকে জয়যুক্ত করতে হবে।

উপস্থিত নেতা–কর্মীদের উদ্দেশে এসময় বিএনপির চেয়ারম্যান জানতে চান, তারা ধানের শীষকে জয়যুক্ত করতে পারবেন কি না; সবাই হাত নেড়ে হ্যাঁ সূচক ইঙ্গিত দেন। তারেক রহমান এসময় বলেন, ইনশাআল্লাহ।

তিনি বলেন, বিএনপির সরকার ,মা–বোনদের স্বাবলম্বী করে গড়ে তুলতে চায়। সিলেটের বহু মানুষ বিদেশে যায়। আমরা মানুষকে ট্রেনিং দিতে চাই। সুযোগ তৈরি করতে চাই।